পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দুরভিসন্ধিমূলক পরিকল্পনা

ছবি
  অত্যন্ত বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশকে অকার্যকরী রাষ্ট্রে পরিণত করতে বিশেষ একটি গোষ্ঠির যে সকল দুরভিসন্ধিমূলক পরিকল্পনা রয়েছে তা অনেকটা নিম্নরুপঃ ১. হাইভ্যালু টার্গেট এসাসিনেশন। ২. হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অগ্নিসংযোগ (কেপিআই সহ)। ৩. ধর্মীয় স্থানে অতর্কিত হামলা। ৪. সুউচ্চ ভবনে অগ্নিসংযোগ। ৫. সরকারী স্থাপনায় হামলা। ৬. রপ্তানিমুখী শিল্পের কনসাইনমেন্টে হামলা। ৭. নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দ্রব্যমূল্যের প্রাইস স্যাবোটাজ করার লক্ষ্যে সাপ্লাইচেইনে আঘাত। ৮. বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশন/দূতাবাসে বিদ্রোহ সংঘটন (মিশন/দূতাবাস কর্তৃক অন্তর্বর্তী সরকারের বিপরীতে প্রকাশ্য অবস্থান গ্রহণ)। ৯. যে কোন উপায়ে সামরিক-আধা সামরিক বাহিনীর ভেতর উত্তেজনা সৃষ্টি। বাহিনীর সদস্যদের মাঝে গণহিস্টেরিয়া সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নেতিবাচক প্রচার। ১০. একই সময়ে বিভিন্ন এলাকা/গ্রাম/উপজেলা/জেলায় বিশৃংখলা সৃষ্টি করে সেসব এলাকা দখলে নেয়ার চেষ্টা। ১১. সাইবার আক্রমণ করে ওয়েব নির্ভর বিভিন্ন সেবা ব্যবস্থায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করা। অর্থনৈতিক ট্রানজাকশন অচল করে পুরো অর্থনীতি স্যাবোটাজ করা। ১২. অর্থনৈত...

মধ্যরাতে সচিবালয়ে আগুন, নানা প্রশ্ন

ছবি
দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সুরক্ষিত দপ্তর বাংলাদেশ সচিবালয়। আর এই দপ্তরে মধ্যরাতে আগুন লাগার ঘটনা জন্ম দিয়েছে নানা প্রশ্নের। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১টা ৫২ মিনিটে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুন লাগে। ৬ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। এদিকে গতকাল জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি করে আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন আমলারা। প্রশাসনে এমন চলমান অস্থিরতার মধ্যেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো। এটি নাশকতা, না-কি স্বাভাবিক অগ্নিকাণ্ড  এ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।  এ ঘটনাকে ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে দেখছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। তিনি তার ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের বিগত সময়ে হওয়া অর্থলোপাট, দুর্নীতি নিয়ে আমরা কাজ করছিলাম। কয়েক হাজার কোটি টাকা লুটপাটের প্রমাণও পাওয়া গিয়েছিল। আগুনে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এখনো জানা যায়নি। আমাদেরকে ব্যর্থ করার এই ষড়যন্ত্রে যে বা যারাই জড়িত থাকবে তাদের বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবে না।’ অন্যদিকে ফ্যাসিস্টদের পক্ষে ‘সিমপ্যাথি গেইন’ ক্যাম্পেইন...

চন্দন থেকে গেরুয়া সন্ত্রাসী চিন্ময়

  বাবা-মায়ের দেওয়া নাম চন্দন কুমার ধর। উগ্র ধর্মীয় সংগঠন ইসকনে যোগ দেওয়ার পর বনে যান চিন্ময় কুমার দাস ব্রহ্মচারী। ভক্তরা তাকে ডাকেন চিন্ময় প্রভু নামে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ১৬ নম্বর করায়নগর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা মৃত মাস্টার আশুতোষ ধর ও সন্ধ্যা রানী ধরের ছেলে তিনি। বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর, মেজো ভাই অঞ্জন কুমার ধর ও বোন রুনা ধরের পরে জন্ম তার। ১৯৮৫ সালে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের সমাবেশে যোগ দিতে এসে ভিড়ের কারণে স্ট্রোক করে মারা যান আশুতোষ ধর। ওইদিনই কক্সবাজারের ডুলাহাজারা মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিস্টান হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন চিন্ময়। জন্মের সময় বাবার মৃত্যু হওয়ায় গ্রামের মানুষের কাছে অপয়া সন্তান হিসেবে পরিচিতি পায় চন্দন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ১৯৯৮ সালে সাতকানিয়া থেকে চট্টগ্রামে পাড়ি জমান সপরিবারে। বন্দর নগরীতে এসে ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকা অবস্থায় হঠাৎ একদিন জানা গেল তিনি সন্ন্যাসী হয়েছেন। পরের গন্তব্য বিতর্কিত ইসকন। গেরুয়া বেশে উগ্র তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই ইসকনের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। খাতা-কলমে সংগঠনটির তিন নম্বর নেতা হলেও কার্যত ইসকনের...